বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৫, ২০২৬
 শিরোনাম
মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন শিশুদের প্রতিভা বিকাশের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী রাতের আকাশ আলোকিত করতে মহাকাশে ৫০ হাজার আয়না বসানোর পরিকল্পনা পোশাকশিল্পের উন্নয়নে বিএনপি সব সময় আন্তরিক: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বগুড়ার শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চালু হচ্ছে হার্ট সার্জারি শেখ হাসিনাকে ফেরানোর একমাত্র পথ প্রত্যর্পণ, ট্রাভেল পাস নয়: হুমায়ুন কবির আধুনিক প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি ব্যবহারে গুরুত্ব দিলেন সেনাপ্রধান ডেঙ্গু প্রতিরোধে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান রিজভীর মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশব্যাপী সৌরবিদ্যুৎ আন্দোলনের আহ্বান

শিক্ষকের গুলিতে হাসপাতালে শিক্ষার্থী

শিক্ষকের গুলিতে হাসপাতালে শিক্ষার্থী

সিরাজগঞ্জে শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের  তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আরাফাত আমিন তমালকে গুলি করার ঘটনা তদন্তে কলেজে পৌঁছেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গঠিত তিন সদস্যের দলটি।  অভিযুক্ত শিক্ষক শিক্ষক ডা. রায়হান শরীফ ওই কলেজের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের শিক্ষক। ছাত্রকে গুলি করে আলোচনায় এসেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৫ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে কলেজে এসে পৌঁছান তদন্ত টিমটি। এরপর সেই ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলেন তারা। 

বিষয়টি নিশ্চিত করে শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ মো. আমিরুল হোসেন বলেন, বেলা ১১টার দিকে তদন্ত কমিটির তিনজন কলেজে এসে পৌঁছান। এরপর তারা যান কলেজ হোস্টেলে। সেখানে গিয়ে প্রথমে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলেন। এরপর কথা বলেন তাদের হোস্টেলের শিক্ষার্থী ও সহপাঠীদের সঙ্গে। 

তিনি বলেন, তারা এখনো শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলছেন। এখন পর্যন্ত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেননি। ভুক্তভোগীসহ সবার সঙ্গে কথা বলে হয়তো ওখানে যাবেন। 

এ ঘটনার প্রতিবাদে ওই শিক্ষকের শাস্তি চেয়ে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। পরে তদন্ত কমিটি তাদের নিয়ে আলোচনায় বসেছেন বলে জানা গেছে। 

প্রসঙ্গত, সোমবার (৪ মার্চ) বিকেলে সিরাজগঞ্জের শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী আরাফাত আমিন তমালকে গুলি করেন কলেজের শিক্ষক ডা. রায়হান শরীফ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকের বিচার চেয়ে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। এরপর সন্ধ্যায় তাকে আটক করে থানায় নেয় পুলিশ। এসময় তার কাছ থেকে একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়। পরে রাতে তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা।

এ ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। কমিটিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. বায়জীদ খুরশীদ রিয়াজকে আহ্বায়ক করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।