শুক্রবার, নভেম্বর ৬, ২০২৬
 শিরোনাম
মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন শিশুদের প্রতিভা বিকাশের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী রাতের আকাশ আলোকিত করতে মহাকাশে ৫০ হাজার আয়না বসানোর পরিকল্পনা পোশাকশিল্পের উন্নয়নে বিএনপি সব সময় আন্তরিক: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বগুড়ার শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চালু হচ্ছে হার্ট সার্জারি শেখ হাসিনাকে ফেরানোর একমাত্র পথ প্রত্যর্পণ, ট্রাভেল পাস নয়: হুমায়ুন কবির আধুনিক প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি ব্যবহারে গুরুত্ব দিলেন সেনাপ্রধান ডেঙ্গু প্রতিরোধে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান রিজভীর মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশব্যাপী সৌরবিদ্যুৎ আন্দোলনের আহ্বান

প্রাথমিক শিক্ষায় কঠোর মনিটরিংয়ের ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

প্রাথমিক শিক্ষায় কঠোর মনিটরিংয়ের ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষার মূল ভিত্তি শুরু হয় প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে। তাই প্রাথমিক শিক্ষা থেকেই শিক্ষার মানোন্নয়নে নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও তদারকি জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার কাজের উৎসাহ ও গতি বাড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) হলরুমে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সঠিক পরিকল্পনার বাস্তবায়ন ব্যতীত শিক্ষার কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন সম্ভব নয়। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছেন এবং তিনি প্রতি শনিবার শিক্ষা বিষয়ক পর্যালোচনা সভা করেন; যেখানে সারা সপ্তাহের কাজের অগ্রগতি তাঁর নিকট উপস্থাপন করতে হয়।’

মন্ত্রী শিক্ষা খাতে গতিশীলতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি বলে উল্লেখ করেন।

মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করে ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে আরও নিবেদিত হয়ে কাজ করলে শিক্ষার মান উন্নত হবে। আমরা কী করেছি এবং কীভাবে শিক্ষার মান আরও উন্নত করা যায়- সে বিষয়ে বিশেষ নজর দিতে হবে।

তিনি আরো বলেন, অতীতে অবকাঠামো উন্নয়নে তুলনামূলক বেশি গুরুত্ব দেওয়া হলেও এখন থেকে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়ে বিশেষ জোর দেওয়া হবে।

মন্ত্রণালয়ের পূর্ববর্তী প্রকল্পগুলোর বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, গতানুগতিক কাজের বাইরে গিয়ে প্রকল্পগুলোর মিশন ও ভিশন কতটুকু বাস্তবায়িত হয়েছে, তা গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন দাবি ও অভিযোগের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘যৌক্তিক দাবিগুলো পর্যায়ক্রমে পূরণ করা হবে। কাউকে বঞ্চিত করা হবে না। আমি আশা করি এবার বাজেট বৃদ্ধি পাবে, যা শিক্ষার সার্বিক উন্নয়নে সহায়ক হবে।’

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় কর্মকর্তারা প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে তাদের বিভিন্ন মতামত ও প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।