শুক্রবার, নভেম্বর ৬, ২০২৬
 শিরোনাম
মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন শিশুদের প্রতিভা বিকাশের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী রাতের আকাশ আলোকিত করতে মহাকাশে ৫০ হাজার আয়না বসানোর পরিকল্পনা পোশাকশিল্পের উন্নয়নে বিএনপি সব সময় আন্তরিক: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বগুড়ার শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চালু হচ্ছে হার্ট সার্জারি শেখ হাসিনাকে ফেরানোর একমাত্র পথ প্রত্যর্পণ, ট্রাভেল পাস নয়: হুমায়ুন কবির আধুনিক প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি ব্যবহারে গুরুত্ব দিলেন সেনাপ্রধান ডেঙ্গু প্রতিরোধে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান রিজভীর মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশব্যাপী সৌরবিদ্যুৎ আন্দোলনের আহ্বান

আজও তিন বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

আজও তিন বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে থাকা লঘুচাপটি এখন সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। আবার মৌসুমি বায়ুও বেশ সক্রিয়। এর প্রভাবে আজ সোমবার দেশের উপকূলীয় চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশাল অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে। এ তিন অঞ্চলের অধিকাংশ স্থানে হতে পারে বৃষ্টি। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আজ সকালে দেওয়া পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এমনটাই বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আজকের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়; ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
বিজ্ঞপ্তিতে এ–ও বলা হয়েছে, সুস্পষ্ট লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল থেকে ভারতের আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবীর আজ প্রথম আলোকে বলেন, চট্টগ্রাম অঞ্চলে বৃষ্টি হলেও তা বন্যায় আক্রান্ত ফেনী বা কুমিল্লায় প্রভাব না–ও ফেলতে পারে। কারণ, দুই দিন ধরেই এ বিভাগের একেবারে উপকূলীয় এলাকায় বেশি বৃষ্টি হচ্ছে।

সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে যশোরে—১৪৪ মিলিমিটার। এ বিভাগের অন্য এলাকাগুলোর মধ্যে কয়রায় ১৩৬ এবং মোংলায় ১৩৪ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়।

চট্টগ্রামের উপকূলীয় এলাকা হাতিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয় ১৩২ মিলিমিটার। এ বিভাগে অন্য এলাকাগুলোর মধ্যে সন্দ্বীপে ৯৭, কুতুবদিয়ায় ৮৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। নোয়াখালীর মাইজদীকোর্টে এ সময় বৃষ্টি হয় ৯৩ মিলিমিটার।