মঙ্গলবার, নভেম্বর ৩, ২০২৬
 শিরোনাম
পদ্মা ও যমুনায় দ্বিতীয় সেতু এবং পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জীবিত থাকলে সরকারকে শান্তিতে থাকতে দেবেন না বলে মন্তব্য তথ্য উপদেষ্টার শূন্য পাসের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কঠোর হচ্ছে শিক্ষা প্রশাসন, জবাবদিহি করতে হবে শিক্ষকদের আইফোন ডুয়ের সরবরাহ সংকট কবে কাটবে, অনিশ্চিত অ্যাপল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান হরমুজ প্রণালিতে দুই মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরানের প্রকৌশলী নজরুলের অনৈতিক প্রশ্রয়ে সরকারি মেগা প্রকল্পে যুবলীগ নেতার দৌরাত্ম্য! ২০২৭ সালে জাতীয় গ্রিডে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ যুক্ত করার লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী তাহসিফ হত্যা মামলায় নতুন মোড়, দীপকে ফের রিমান্ডে নিতে চায় পুলিশ চার দিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধের খবর বিভ্রান্তিকর: পেট্রোবাংলা

নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিচালনায় ৪১ কোটি টাকা চায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ

নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিচালনায় ৪১ কোটি টাকা চায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ

দেশের ১২টি সিটি করপোরেশন ও ২৩টি পৌরসভার অধীন ১৯২টি আরবান প্রাইমারি হেলথকেয়ার সেন্টার পরিচালনার জন্য ৪১ কোটি ৩৮ লাখ ৫০ হাজার ৬ টাকা বরাদ্দ চেয়েছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। 

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে এসব স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিচালন ব্যয় নির্বাহে এ অর্থ চাওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের বাজেট-১ শাখা থেকে ১২ অক্টোবর অর্থ বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ বরাদ্দের অনুরোধ জানানো হয়। চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব সুশীল কুমার পাল।

চিঠিতে বলা হয়েছে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন পরিচালিত ১২টি সিটি করপোরেশন ও ২৩টি পৌরসভার ১৯২টি আরবান প্রাইমারি হেলথকেয়ার সেন্টার স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অনুকূলে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এসব কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট সিভিল সার্জনের মাধ্যমে গ্রহণ করে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এসব স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বেতন-ভাতা, ওষুধ, চিকিৎসা ও শল্যচিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ এবং প্রশাসনিক ব্যয় নির্বাহে ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত নয় মাসের সম্ভাব্য পরিচালন ব্যয়ের জন্য অর্থ চাওয়া হয়েছে।

চিঠিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের অনুকূলে প্রাতিষ্ঠানিক কোড সৃষ্টিসহ প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

বরাদ্দ করা অর্থ সংশ্লিষ্ট সিভিল সার্জনদের অনুকূলে অথরাইজেশনের মাধ্যমে ন্যস্ত করার পরিকল্পনাও উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে অর্থ বিভাগের সচিবের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ।