মঙ্গলবার, নভেম্বর ৩, ২০২৬
 শিরোনাম
পদ্মা ও যমুনায় দ্বিতীয় সেতু এবং পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জীবিত থাকলে সরকারকে শান্তিতে থাকতে দেবেন না বলে মন্তব্য তথ্য উপদেষ্টার শূন্য পাসের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কঠোর হচ্ছে শিক্ষা প্রশাসন, জবাবদিহি করতে হবে শিক্ষকদের আইফোন ডুয়ের সরবরাহ সংকট কবে কাটবে, অনিশ্চিত অ্যাপল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান হরমুজ প্রণালিতে দুই মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরানের প্রকৌশলী নজরুলের অনৈতিক প্রশ্রয়ে সরকারি মেগা প্রকল্পে যুবলীগ নেতার দৌরাত্ম্য! ২০২৭ সালে জাতীয় গ্রিডে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ যুক্ত করার লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী তাহসিফ হত্যা মামলায় নতুন মোড়, দীপকে ফের রিমান্ডে নিতে চায় পুলিশ চার দিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধের খবর বিভ্রান্তিকর: পেট্রোবাংলা

বাংলাদেশে স্টারলিংকের মোবাইল সেবা চালু হওয়ায় মাস্কের উচ্ছ্বাস প্রকাশ

বাংলাদেশে স্টারলিংকের মোবাইল সেবা চালু হওয়ায় মাস্কের উচ্ছ্বাস প্রকাশ

বাংলাদেশে স্টারলিংকের স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সেবা চালু হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক। বৃহস্পতিবার (০৮ অক্টোবর) স্পেসএক্সের নির্বাহী স্টেফানি বেডনারেকের একটি পোস্ট পুনঃপ্রকাশ করে মাস্ক লেখেন, ‘Starlink connecting Bangladesh!’

স্পেসএক্সের বাণিজ্যিক বিক্রয় বিভাগের প্রধান স্টেফানি বেডনারেক জানান, স্টারলিংক মোবাইলের মাধ্যমে এখন বাংলাদেশের লাখো মানুষ অতিরিক্ত সংযোগ সুবিধা পাচ্ছেন। বিশেষ করে যেসব এলাকায় প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের কাভারেজ নেই, সেখানে এ সেবা যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করবে।

বেডনারেক এক্সে দেওয়া পোস্টে বলেন, সেলুলার নেটওয়ার্কের বাইরে থাকা এলাকায় স্টারলিংকের প্রযুক্তি অতিরিক্ত সংযোগ সুবিধা দেবে। এর ফলে উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দা, প্রত্যন্ত অঞ্চলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, পরিবার ও ভ্রমণকারীরা যোগাযোগের আওতার বাইরে থাকলেও সংযুক্ত থাকতে পারবেন।

স্টারলিংক জানিয়েছে, মোবাইল অপারেটর বাংলালিংকের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশে তাদের স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সেবা চালু হয়েছে। এর মাধ্যমে লাখো গ্রাহক সেলুলার নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে থেকেও বিভিন্ন অ্যাপে বার্তা পাঠানো, অবস্থান শেয়ার করা এবং যোগাযোগের সুবিধা পাবেন।

সম্প্রতি বাংলালিংক স্টারলিংকচালিত এই সেবা চালু করেছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ায় এ ধরনের সেবা চালুর ক্ষেত্রে এটি প্রথম উদ্যোগ।

জরুরি পরিস্থিতি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যাহত হলে গ্রাহকদের যোগাযোগ ধরে রাখাই এই সেবার অন্যতম উদ্দেশ্য। বিশেষ করে জেলেরা, সমুদ্রে কর্মরত মানুষ, ভ্রমণকারী এবং প্রত্যন্ত ও উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দারা এ সেবা থেকে উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলের গভীর সমুদ্র এলাকাতেও সেবাটি কাজে লাগতে পারে। সামঞ্জস্যপূর্ণ ৪জি ফোন ও বাংলালিংকের সিম থাকলে প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে থেকেও ব্যবহারকারীরা প্রয়োজনীয় অ্যাপ ও লোকেশন সেবা ব্যবহারের সুযোগ পাবেন।