শুক্রবার, নভেম্বর ৬, ২০২৬
 শিরোনাম
আদিবাসী সংস্কৃতিতে বেড়ে ওঠা অ্যাঞ্জেলার ইসলাম গ্রহণের গল্প টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে গোলাগুলি, প্রাণ গেল সেনাসদস্যের এক দিন পরই কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ছাড় ২৭৪১ টাকা নিখোঁজের দুই দিন পর বাগানের ডোবায় মিলল স্কুলছাত্রীর মরদেহ যুক্তরাষ্ট্রে পঞ্চমবারের মতো সিনেটর হলেন বাংলাদেশের শেখ রহমান ১০০ বছরের ইতিহাসে প্রথম, আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী ভিপি নাশরা সংবিধানে ইসলামী মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটানো হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘ঘুষ-হয়রানি কমলে শ্রমিকদের ৪০ হাজার টাকা বেতন দেওয়া সম্ভব’ ‘তিনি আমার স্ত্রী নন’, এনসিপিতে যোগদানের খবর নিয়ে রনির দাবি এমপি আমির হামজাকে ঘিরে ভিডিও-অডিও থাকার দাবি রাশেদ খানের

মুক্তিযুদ্ধে নৌ কমান্ডোদের দুঃসাহসিক অভিযান গুরুত্বপূর্ণপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল: উপদেষ্টা আজম

মুক্তিযুদ্ধে নৌ কমান্ডোদের দুঃসাহসিক অভিযান গুরুত্বপূর্ণপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল: উপদেষ্টা আজম

মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌ কমান্ডোদের দুঃসাহসিক অভিযান ছিল গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এমন মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ উপদেষ্টা ফারুক ই আজম, বীর প্রতীক।

আজ শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা নৌ-কমান্ডো এসোসিয়েশনের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির লিখিত বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অপারেশন জ্যাকপটসহ বীর নৌ-কমান্ডোদের দুঃসাহসিক অভিযান জাতি চিরদিন স্মরণ রাখবে। কারণ, তাদের সামরিক ও কৌশলগত সফলতাকে ইতিহাসে গুরুত্ব সহকারে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

ফারুক ই আজম বলেন, এই অভিযানের ফলে পশ্চিম পাকিস্তান থেকে পূর্ব পাকিস্তানের সমুদ্র ও নদীপথে সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়। এতে শত্রুপক্ষের যুদ্ধ পরিচালনায় গভীর প্রভাব পড়ে।

তিনি বলেন, দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা ও আত্মত্যাগে অনুপ্রাণিত নৌ-কমান্ডোদের অবদান মুক্তিযুদ্ধের গতিপথ বদলে দিয়েছে এবং স্বাধীনতা অর্জনকে ত্বরান্বিত করেছে। তাদের সাহসিকতা আমাদের জাতিসত্তার জন্য এক উজ্জ্বল প্রতীক যা আজও বীরত্বের প্রেরণা হয়ে আছে।

তিনি আরও বলেন, একজন নৌ-কমান্ডো হিসেবে যুদ্ধ করেই আমাদের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায়নি। একজন যোদ্ধা সবসময় যোদ্ধা—এই বিশ্বাসই আমাদের পথনির্দেশক। বাংলাদেশের জনগণের জন্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে যুদ্ধে আমরা যে আদর্শের জন্য লড়াই করেছি, সেই আদর্শ বাস্তবায়নে আমাদের দায়িত্ব আজও অব্যাহত রয়েছে।

উপদেষ্টা মনে করিয়ে দেন, নৌ-কমান্ডোদের ত্যাগ ও গৌরবময় অবদান ইতিহাসের পাতায় চিরস্মরণীয় থাকবে। এটি প্রজন্মকে দেশপ্রেম, সাহস ও দায়িত্ববোধে অনুপ্রাণিত করবে।

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক নঈম জাহাঙ্গীর, সংগঠনের সভাপতি শাহজাহান কবির, সহ-সভাপতি অনিল বরণ রায়সহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে নৌ-কমান্ডো একটি অত্যন্ত গৌরবোজ্জ্বল নাম। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নৌ-কমান্ডোদের দুঃসাহসিক অপারেশন দেখে শুধু বিস্মিত হয়নি, বরং ভয়ে তাদের অন্তরাত্মাও কেঁপে উঠেছিল।