শুক্রবার, নভেম্বর ৬, ২০২৬
 শিরোনাম
আদিবাসী সংস্কৃতিতে বেড়ে ওঠা অ্যাঞ্জেলার ইসলাম গ্রহণের গল্প টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে গোলাগুলি, প্রাণ গেল সেনাসদস্যের এক দিন পরই কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ছাড় ২৭৪১ টাকা নিখোঁজের দুই দিন পর বাগানের ডোবায় মিলল স্কুলছাত্রীর মরদেহ যুক্তরাষ্ট্রে পঞ্চমবারের মতো সিনেটর হলেন বাংলাদেশের শেখ রহমান ১০০ বছরের ইতিহাসে প্রথম, আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী ভিপি নাশরা সংবিধানে ইসলামী মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটানো হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘ঘুষ-হয়রানি কমলে শ্রমিকদের ৪০ হাজার টাকা বেতন দেওয়া সম্ভব’ ‘তিনি আমার স্ত্রী নন’, এনসিপিতে যোগদানের খবর নিয়ে রনির দাবি এমপি আমির হামজাকে ঘিরে ভিডিও-অডিও থাকার দাবি রাশেদ খানের

আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলার প্রধান আসামী আটক

আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলার প্রধান আসামী আটক

কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব থেকে চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলার প্রধান আসামী চন্দনকে (৩৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার রাত পৌনে ১২টার দিকে ভৈরব বাজার রেলওয়ে জংশন স্টেশন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

চন্দন চট্টগ্রাম বান্ডেল রোডের সেবক কলোনীর মেথরপট্টি এলাকার মৃত ধারীর ছেলে।

চন্দনের গ্রেপ্তারের বিষয়টি ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিন নিশ্চিত করেছেন।

ওসি মো. শাহিন মিয়া জানান, চন্দন ট্রেনে চট্টগ্রাম থেকে রওনা হয়ে গতকাল রাত সাড়ে ৭টায় ভৈরব রেলস্টেশনে নামেন। তার শ্বশুরবাড়ি ভৈরবের মেথরপট্টিতে। ট্রেন থেকে নেমে তিনি স্টেশনে ঘোরাঘুরি করছিলেন। তার ইচ্ছা ছিল রাত গভীর হলে শ্বশুরের বাসায় আশ্রয় নেবেন। এমন তথ্যের ভিত্তিতে আমরা তাকে গ্রেপ্তার করি। বর্তমানে তাকে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। গ্রেপ্তারের বিষয়টি চট্টগ্রাম কোতোয়ালি থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম থেকে পুলিশ আসলেই তাকে হস্তান্তর করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ওই হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের হলে প্রধান আসামী চন্দনকে ধরতে চট্টগ্রাম ডিবি গত দুদিন ধরে ভৈরবে অবস্থান করছিল। ডিবি জানতে পারে আসামী চন্দনের শ্বশুরবাড়ি ভৈরব এলাকায়। কিন্তু ডিবি তার খোঁজ পাচ্ছিল না। গতকাল তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে জানতে পারে তিনি ভৈরবে অবস্থান করছেন। পরে এ খবর জানানো হলে আমরা সন্ধ্যার পর থেকে ভৈরব রেলস্টেশনে অবস্থান নিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই।

উল্লেখ্য, গত ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রামের এসি দত্ত রোডের এক বিল্ডিংয়ের সামনে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে হত্যা করা হয়। হত্যার ঘটনায় নিহতের বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে চট্টগ্রাম কোতোয়ালি থানায় ৩১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০/১৫ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা করেন। ওই মামলার ১ নম্বর আসামী চন্দন। এ মামলায় পুলিশ আগেই ৯ জনকে গ্রেপ্তার করলেও প্রধান আসামী চন্দন ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিলেন।