শুক্রবার, নভেম্বর ৬, ২০২৬
 শিরোনাম
২০২৭ সালে ঈদের ছুটি কত দিন, সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা পোশাক খাতে অস্থিরতার অভিযোগে ১০০ ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দের উদ্যোগ আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো তাহসিফ হত্যা: ঘটনার রাতের বর্ণনা দিলেন রিমান্ডে থাকা দীপ এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন, জামায়াতের সঙ্গে জোট নিয়ে অসন্তোষ অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবিতে মধ্যরাতে সড়কে ছাত্রীরা, নতুন কর্মসূচি ঘোষণা সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পর্যালোচনায় ছয় সদস্যের কমিটি ভারতীয় ভিসায় নতুন শর্ত, আবেদনপত্রের সঙ্গে দিতে হবে অঙ্গীকারনামা বাংলাদেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চাইলেন ভারতীয় সাংবাদিক ময়ূখ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চার দেশের জাহাজ চলাচলে ছাড় দিল ইরান

মালয়েশিয়ায় ভবনধসে বাংলাদেশির মৃত্যু

মালয়েশিয়ায় ভবনধসে বাংলাদেশির মৃত্যু

মালয়েশিয়ার মেলাকা রাজ্যে শুক্রবার ভবনধসে মারা গেছেন জিদান নামে এক বাংলাদেশি তরুণ প্রবাসী শ্রমিক। ঘটনার তদন্তে বেরিয়ে এসেছে বিস্ময়কর তথ্য। কর্তৃপক্ষের বরাতে দেশটির গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, প্রকৃতপক্ষে নির্মাণের কোন অনুমোদনই ছিল না সেই ভবনের। এমনকি এখনো শনাক্ত করা যায়নি প্রকৃত মালিককেও।

মেলাকা সিনিয়র এক্সকো ফর হাউজিং, লোকাল গভর্নমেন্ট, ড্রেনেজ, ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট, দাতুক রইস ইয়াসিন বলেছেন, ভবনটির মালিককে চিহ্নিত করা যায়নি, তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির তদন্তে দেখা গেছে যে তারা কোনো নির্মাণ আবেদন না করেই এসওপি লঙ্ঘন করেছে।

তার মতে, অবৈধ নির্মাণকাজ যাতে কর্তৃপক্ষের নজরে না পড়ে সেজন্য মালিকপক্ষ নির্মাণ এলাকা ঘিরে রাখার অভিযোগও রয়েছে।

তিনি বলেন, ভবনটির পেছনে একটি অবৈধ অতিরিক্ত ভবন নির্মাণকালে এর সামনের ভবনটি পাইকারি সুপার মার্কেট ও বিক্রয় গ্যালারি হিসেবে কাজ করত। যে তথ্য পেয়েছি তা থেকে, আমরা এখনও বিল্ডিংয়ের মালিককে চিনি না। তাই কাউন্সিল (ঐতিহাসিক মেলাকা সিটি কাউন্সিল) অনুসন্ধান চালিয়ে যাবে।

 

শনিবার বিকেলে জালান বুকিত সেনজুয়াং-এ ধসে পড়া বিল্ডিং পরিদর্শন করার সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, কোন আবেদন প্রক্রিয়া নেই, আমি নিশ্চিত যে পুলিশ ভবনের ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিকেও চিহ্নিত করবে।’

ঘটনাস্থল পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়ার ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ ডিপার্টমেন্টের (জেবিপিএম) মেলাকা, আর সাইফুল ইসওয়ান্দি আর হাসান। পায়া রামপুট স্টেট অ্যাসেম্বলির একজন সদস্যও বলেছেন যে এমবিএমবিসহ রাজ্যের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ (পিবিটি) কঠোরভাবে নজরদারি চালিয়ে যাবে যাতে এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়।