বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৫, ২০২৬
 শিরোনাম
বৃহস্পতিবার খুলনা ও বাগেরহাট সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী জাতীয় বিপ্লব এবং সংহতি দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি কার্যকর হচ্ছে ডিসেম্বরে প্রযুক্তিনির্ভর ও আন্তর্জাতিক মানের ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা গড়ে তুলছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২০৩১ সালের মধ্যে ১৫০ কূপ খনন ও ওয়ার্কওভারের পরিকল্পনা, দৈনিক গ্যাস উৎপাদনের লক্ষ্য ১,৭৫২ মিলিয়ন ঘনফুট আর্টিলারি রেজিমেন্টের অধিনায়ক সম্মেলন ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা জোরদারে চীনের অঙ্গীকার: লিউ ব্যক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক ও শিল্পপর্যায়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর সৌরবিদ্যুৎ পরিকল্পনা: মাহদী আমিন আইসিএপিপির ১৩তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে সিউলে বিএনপি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও গভীর করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠকে

চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে ৫১ হাজার টন তেলবাহী মালয়েশিয়ার ২ জাহাজ

চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে ৫১ হাজার টন তেলবাহী মালয়েশিয়ার ২ জাহাজ

মালয়েশিয়া থেকে ৫১ হাজার টন জ্বালানি তেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে দুটি জাহাজ। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে জাহাজ দুটি নোঙর করার পর বর্তমানে সেগুলোর পণ্য খালাসের প্রক্রিয়া চলছে। 

চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামীম জানান, ৫১ হাজার টনের এই চালানে ‘সেন্ট্রাল স্টার’ নামক জাহাজে করে ২৫ হাজার টন ফার্নেস অয়েল এবং ‘ইস্টার্ণ কুইন্স’ জাহাজে করে ২৬ হাজার টন অকটেন আনা হয়েছে।

বন্দর সচিব আরো জানান, জাহাজ দুটি বুধবারই বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করেছিলো। বৃহস্পতিবার ভোরে সেগুলো বহির্নোঙরে এসে পৌঁছায়। ১৫ এপ্রিলের মধ্যে আরও পাঁচটি জ্বালানি তেলবাহী জাহাজ বিভিন্ন দেশ থেকে এই বন্দরে আসার কথা রয়েছে।

এর আগে শুক্রবার সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার টন ডিজেল নিয়ে ‘ইয়ান জিং হে’ নামক একটি জাহাজ বন্দরের ডলফিন জেটিতে ভিড়েছিলো। এছাড়া একই সময়ে মালয়েশিয়া থেকে গ্যাস অয়েল নিয়ে আরও একটি জাহাজ বন্দরে পৌঁছানোর কথা ছিলো।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, দেশে জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতে ধারাবাহিকভাবে জাহাজ বন্দরে আসছে। মার্চ মাসে সর্বমোট ৩৩টি জ্বালানি পণ্যবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে। এর মধ্যে ১৫টি জাহাজে ছিল বিভিন্ন ধরনের তেল, ৮টিতে এলএনজি এবং বাকি ৯টিতে এলপিজি ছিল। দেশে জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এই নিয়মিত আমদানি প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।