শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬
 শিরোনাম
শ্রমিক আন্দোলনে পোশাক খাতে ক্ষতির আশঙ্কা দেড় হাজার কোটি টাকা কোস্ট গার্ডের ৫ জাহাজের নাম পরিবর্তন, নতুন নাম কী হলো? চিকিৎসার কথা বলে ফ্ল্যাটে ডেকে ১২ জনের হামলা, গ্রেফতার দুই অভিনয়শিল্পী নেতানিয়াহুকে সরাতে ৬৭ এমপির সমর্থন, ইসরাইলে ক্ষমতার পালাবদলের আভাস ২০২৯ সালে বন্ধ হচ্ছে টু-জি, অচল হয়ে যাবে ৬ কোটির বেশি বাটন ফোন? বাড্ডায় বৈশাখী পরিবহনের বাসে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা যাত্রীরা মাদকবিরোধী অবস্থান নেওয়ায় পুলিশ সদস্যের হাত-পা ভাঙল, কেটে দেওয়া হলো পায়ের রগ যুদ্ধবিরতিতে ৬ লাখ কোটি টাকা ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চায় হুতিরা বইয়ের স্বপ্ন নিয়ে গড়া উদ্যোগ, ২৬ বছরেই ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল অরূপের ইরানকে ঘিরে ট্রাম্পের নতুন হুঁশিয়ারি, বললেন ‘শিগগিরই জানতে পারবেন’

বাংলাদেশ মিয়ানমারে উদ্ধার অভিযান সম্পন্ন করেছে

বাংলাদেশ মিয়ানমারে উদ্ধার অভিযান সম্পন্ন করেছে

গত ২৮ মার্চ মিয়ানমারে ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর বাংলাদেশ মানবিক কার্যক্রম এবং উদ্ধারকাজ সফলভাবে সম্পন্ন করেছে।

অভিযান সম্পন্ন করার পর সেনাবাহিনীর উদ্ধারকর্মী, ডাক্তার, নার্স এবং অগ্নিনির্বাপক বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত বাংলাদেশী দল রোববার বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ বানৌজা সমুদ্র অভিজানে করে মিয়ানমার ত্যাগ করেছে এবং মঙ্গলবার তাদের চট্টগ্রামে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ একথা বলা হয়েছে।

উদ্ধারকাজ ছাড়াও, মিয়ানমার সরকারের অনুরোধে বাংলাদেশ থেকে ১৫১.৫ টন মানবিক সহায়তা মিয়ানমারে পৌঁছেছে। যার মধ্যে রয়েছে খাদ্য, ওষুধ, তাঁবু, পানীয় জল, কম্বল, পোশাক, স্বাস্থ্যবিধি পণ্য এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘একটি দায়িত্বশীল প্রতিবেশী এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় একটি চ্যাম্পিয়ন দেশ হিসেবে বাংলাদেশ মিয়ানমারের ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং তাৎক্ষণিকভাবে মানবিক সহায়তা প্রদান করেছে

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস মিয়ানমার সরকারের কাছে একটি সমবেদনা পত্র পাঠিয়েছেন এবং মানবিক সহায়তা প্রদানের প্রস্তাব দিয়েছেন।

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং মিয়ানমারে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাসঙ্গিক মানবিক কার্যক্রমের সমন্বয় সাধন করেছে।

৩০ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত তিনটি ধাপে পাঁচটি বাংলাদেশি বিমান এবং একটি নৌবাহিনীর জাহাজ ১৫১.৫ টন সহায়তা বহন করেছে। যার মধ্যে রয়েছে খাদ্য, ওষুধ, তাঁবু, খাবারের প্যাকেট, শুকনো রেশন, পানীয় জল, কম্বল, পোশাক, স্বাস্থ্যবিধি পণ্য এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র।

প্রথম ধাপে, ৩০ মার্চ দু’টি বাংলাদেশি বিমান ইয়াঙ্গুনে ১৬.৫ টন সহায়তা বহন করে।

দ্বিতীয় ধাপে আরো তিনটি বাংলাদেশি বিমান ১৫ টন ত্রাণ এবং ৫৫ সদস্যের একটি উদ্ধার ও চিকিৎসা দল নেপিদোতে নিয়ে যায়।

মানবিক সহায়তার তৃতীয় ধাপটি পরিচালনা করে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ বানৌজা সমুদ্র অভিজান, যা ৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম থেকে ১২০ মেট্রিক টনেরও বেশি ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে যাত্রা করে এবং ১১ এপ্রিল ইয়াঙ্গুনে অবতরণ করে।

মিয়ানমারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তিনটি পর্যায়ে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কাছে সহায়তা হস্তান্তর করেন। মিয়ানমারে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস মান্দালয় শহরে মানবিক কার্যক্রমে মিয়ানমারে প্রবাসী বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের সদস্যদেরও সম্পৃক্ত করে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।