শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬
 শিরোনাম
শ্রমিক আন্দোলনে পোশাক খাতে ক্ষতির আশঙ্কা দেড় হাজার কোটি টাকা কোস্ট গার্ডের ৫ জাহাজের নাম পরিবর্তন, নতুন নাম কী হলো? চিকিৎসার কথা বলে ফ্ল্যাটে ডেকে ১২ জনের হামলা, গ্রেফতার দুই অভিনয়শিল্পী নেতানিয়াহুকে সরাতে ৬৭ এমপির সমর্থন, ইসরাইলে ক্ষমতার পালাবদলের আভাস ২০২৯ সালে বন্ধ হচ্ছে টু-জি, অচল হয়ে যাবে ৬ কোটির বেশি বাটন ফোন? বাড্ডায় বৈশাখী পরিবহনের বাসে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা যাত্রীরা মাদকবিরোধী অবস্থান নেওয়ায় পুলিশ সদস্যের হাত-পা ভাঙল, কেটে দেওয়া হলো পায়ের রগ যুদ্ধবিরতিতে ৬ লাখ কোটি টাকা ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চায় হুতিরা বইয়ের স্বপ্ন নিয়ে গড়া উদ্যোগ, ২৬ বছরেই ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল অরূপের ইরানকে ঘিরে ট্রাম্পের নতুন হুঁশিয়ারি, বললেন ‘শিগগিরই জানতে পারবেন’

বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ আ.লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে

বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ আ.লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে

ছাত্র-জনতার প্রবল আন্দোলনের মুখে পতন ঘটে আওয়ামী লীগ সরকারের। ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন শেখ হাসিনা। গণহত্যার অভিযোগে এই দলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর বিচার কার্যক্রম চলছে। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার রাতে চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক জাতীয় নাগরিক পার্টির (দক্ষিণাঞ্চল) মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর এক ফেসবুক স্ট্যাটাস ঘিরে রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়।

সেখানে তিনি দাবি করেন, ‘রিফাইন্ড’ আওয়ামী লীগের ব্যানারে দলটিকে পুনর্বাসনের পরিকল্পনা হচ্ছে। আর সেনানিবাস থেকে তাদের কয়েকজনকে সেই পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। এমন ফেসবুক স্ট্যাটাসের পরেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ হয়। আবারও সামনে আসে ছাত্র-জনতা হত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের ইস্যু। শুক্রবারও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ শ্বিবিদ্যালয় ক্যাম্পাস, শাহবাগ, মিরপুরসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করেছে বেশ কয়েকটি সংগঠন। জুমার নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে প্রথমে বিক্ষাভ মিছিল বের করে ইনকিলাব মঞ্চ। মধুর ক্যান্টিন হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় হলপাড়া ঘুরে রাজু ভাস্কর্যের সামনে গিয়ে সমাবেশ করেন তারা। বিক্ষোভকারীরা বলেন, যাদের হাতে হাজারো ছাত্র-জনতার রক্ত লেগে আছে এ দেশে তাদের রাজনীতি করার অধিকার নেই। কেউ যদি তাদের পুনর্বাসনের চেষ্টা করে পরিণতিও ভয়াবহ হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করে ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের প্রতিনিধিদল। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ড. কমফোর্ট ইরোর নেতৃত্বাধীন ওই প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের বিষয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে দলের যেসব নেতার বিরুদ্ধে হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধসহ অন্যান্য অপরাধের অভিযোগ রয়েছে, তাদের বাংলাদেশের আদালতে বিচার করা হবে।’

মূলত এই বক্তব্য গণমাধ্যমে আসার পরপরই ছাত্র-জনতা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। প্রতিবাদ জানিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (দক্ষিণাঞ্চল) মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। বৃহস্পতিবার রাত ১২টা ৫০ মিনিটে দেওয়া একটি ফেসবুক পোস্টে হাসনাত লিখেন, ‘ড. ইউনূস, আওয়ামী লীগ ৫ আগস্টই নিষিদ্ধ হয়ে গেছে। উত্তরপাড়া ও ভারতের প্রেসক্রিপশনে আওয়ামী লীগের চ্যাপ্টার ওপেন করার চেষ্টা করে লাভ নেই।’