শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬
 শিরোনাম
তানজিন তিশার সদস্যপদ স্থগিত, অনির্দিষ্টকালের সিদ্ধান্ত অভিনয়শিল্পী সংঘের ইরানের মহাকাশ সক্ষমতা নিয়ে পেন্টাগনের প্রতিবেদন, বাড়ছে সামরিক প্রযুক্তির ব্যবহার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পর্নো ভিডিও তৈরির অভিযোগ, নরসিংদীতে আটক ১ খাল পরিষ্কার করতে নেমে কাদায় আটকালেন ইউএনও, এরপর যা করলেন ১৪ বলে ফিফটি! নারী টি-টোয়েন্টিতে নতুন বিশ্বরেকর্ড ভারতীয় ব্যাটারের আইপিএলের আগে চেন্নাই-হায়দরাবাদের বড় রদবদল, দল বদলালেন চার তারকা আদিবাসী সংস্কৃতিতে বেড়ে ওঠা অ্যাঞ্জেলার ইসলাম গ্রহণের গল্প টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে গোলাগুলি, প্রাণ গেল সেনাসদস্যের এক দিন পরই কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ছাড় ২৭৪১ টাকা নিখোঁজের দুই দিন পর বাগানের ডোবায় মিলল স্কুলছাত্রীর মরদেহ

২৭তম বিসিএস পরিক্ষায় বাদ পড়াদের আপিলের রায় কাল

২৭তম বিসিএস পরিক্ষায় বাদ পড়াদের আপিলের রায় কাল

২৭তম বিসিএস-এর দ্বিতীয় মৌখিক পরীক্ষায় বাদ পড়াদের আপিল শুনানি শেষে রায়ের জন্য কাল ২০ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বিভাগ আজ রায়ের দিন ধার্য করেন।

আপিল বিভাগের রায়ের ১৪ বছর পর রিভিউ পর্যায়ে এসে লিভ টু আপিলটি গত ৭ নভেম্বর মঞ্জুর করে আপিল বিভাগ। সেদিনের ওই আদেশের ফলে ২৭তম বিসিএস থেকে বাদ পড়া ১১৩৭ জনের ভাগ্য নির্ধারণী আপিল শুনানির দুয়ার খুলেছে বলে জানান আইনজীবীরা।

আদালতে পরীক্ষায় বাদ পড়াদের পক্ষে আজ শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী সালাউদ্দীন দোলন। এদের পক্ষে আরও ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। আর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনিক আর হক।

২৭ তম বিসিএস-এর প্রথম মৌখিক পরীক্ষা ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বাতিল করে দেয় সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। ওই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের পক্ষে মনির হোসেনসহ কয়েকজন হাইকোর্টে রিট করেন। সে রিটের শুনানি শেষে  হাইকোর্ট ২০০৮ সালের ৩ জুলাই প্রথম মৌখিক পরীক্ষা বাতিলে পিএসসির সিদ্ধান্তকে বৈধ ঘোষণা করেন।

হাইকোর্টের ওই রায়ের পর দ্বিতীয়বারের মতো মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এই পরীক্ষায় অকৃতকার্যদের পক্ষে মো. সোহেল রানাসহ বেশ ক’জন পরীক্ষার্থী ২০০৮ সালে হাইকোর্টে আরেকটি রিট করেন। পরবর্তীতে বিচারপতি মিফতাহ্ উদ্দিন চৌধুরী রুমী ও বিচারপতি এবি সিদ্দিকীর হাইকোর্ট বেঞ্চ ২০০৯ সালের ১১ নভেম্বরের দ্বিতীয় মৌখিক পরীক্ষা অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন। সে রায়ে প্রথম মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের তিন মাসের মধ্যে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া এবং দ্বিতীয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চাকরিতে নিযুক্তদের বহাল রাখার নির্দেশ দেয়া হয়।

তবে হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে সরকারের করা তিনটি আপিলের শুনানি শেষে ২০১০ সালের ১১ জুলাই তৎকালীন প্রধান বিচারপতি মো. ফজলুল করিমের নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বিভাগ রায় দেন। সে রায়ে ২৭ তম বিসিএস-এর প্রথম মৌখিক পরীক্ষা বাতিল বৈধ বলে হাইকোর্টের রায় বহাল রাখা হয়। অন্যদিকে, দ্বিতীয় মৌখিক পরীক্ষা অবৈধ ঘোষণার হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সরকারের 'লিভ টু আপিল' পর্যবেক্ষণসহ নিষ্পত্তি করে দেন সর্বোচ্চ আদালত।