বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৫, ২০২৬
 শিরোনাম
বৃহস্পতিবার খুলনা ও বাগেরহাট সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী জাতীয় বিপ্লব এবং সংহতি দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি কার্যকর হচ্ছে ডিসেম্বরে প্রযুক্তিনির্ভর ও আন্তর্জাতিক মানের ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা গড়ে তুলছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২০৩১ সালের মধ্যে ১৫০ কূপ খনন ও ওয়ার্কওভারের পরিকল্পনা, দৈনিক গ্যাস উৎপাদনের লক্ষ্য ১,৭৫২ মিলিয়ন ঘনফুট আর্টিলারি রেজিমেন্টের অধিনায়ক সম্মেলন ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা জোরদারে চীনের অঙ্গীকার: লিউ ব্যক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক ও শিল্পপর্যায়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর সৌরবিদ্যুৎ পরিকল্পনা: মাহদী আমিন আইসিএপিপির ১৩তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে সিউলে বিএনপি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও গভীর করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠকে

ইলিশ শিকার শুরু উপকূলীয় এলাকার নদ-নদীতে আজ মধ্যরাতে

ইলিশ শিকার শুরু উপকূলীয় এলাকার নদ-নদীতে আজ মধ্যরাতে

দীর্ঘ ২২ দিন বিরতির পর ভোলার মেঘনা,তেঁতুলিয়া,ইলিশা ও কালাবাদর নদী থেকে শুরু করে উপকুলীয় এলাকার সব নদ-নদীতে আজ রোববার মধ্যরাত থেকে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ শিকার শুরু হচ্ছে। ভোলার মৎস্য বিভাগ এবার মৌসুমে এখানকার নদী হতে ১লাখ ৮৫ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ আহরিত হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের আশা করছেন। 

সে লক্ষ্যে আজ রোববার রাত ১২ টার পর থেকে জাল, নৌকা ও ট্রলার নিয়ে ইলিশ শিকারে নেমে পড়বেন জেলেরা।

এতে উপকুলের বেকার জেলেরা ফের কর্মব্যস্ত হয়ে পড়বেন। বিশেষকরে ইলিশ প্রজনন'র অভয়ারণ্যখ্যাত দ্বীপজেলা ভোলাসহ দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলের ঘাটে ঘাটে জেলেরা তাদের শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।

নদীতে কাঙ্খিত পরিমান ইলিশ পেলে ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন বলে আশাবাদী তারা। মৎস্যবিভাগ বলছে,অভিযান সফল হওয়ায় ইলিশের উৎপাদন বাড়বে।

সরেজিমন ভোলা উপকূলের বিভিন্ন মাছ ঘাট ঘুরে দেখা গেছে,জেলেদের অপেক্ষার পালা শেষ। ঘাটে ঘাটে জেলেদের কর্মব্যস্ততার চিত্র চোখে পড়ার মতো।  কেউ জাল বুনছেন,কেউ বা ইঞ্জিন মেরামতের কাজ নিয়ে ব্যস্ততা শেষ করেছেন। জেলেপাড়গুলোতে চলছে আনন্দ আর ইলিশ শিকারে যাওয়ার শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি।

ইলিশ ধরা নিষেধাজ্ঞার দীর্ঘ ২২ দিন পর আজ নদী ও সাগরে মাছ শিকারে যাবেন তাই অনেকটাই হাসি মুখ জেলেদের। 

সরেজমিন ভোলা শহরতলীর মেঘনাঘাটের জেলে জামাল,ফরিদ,নসুমিয়া কাশেম মাঝি ও ইলিয়াস মাঝির সঙ্গে কথা হয়। তারা বলেন, এতোদিন আমরা নদীতে যাইনি, এখন মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে। তাই আজ মধ্য রাতে থেকে আমরা নদীতে যাবো। কাঙ্খিত পরিমান মাছ পেলে সংকট দূর হবে আমাদের।

এদিকে জেলেদের মধ্যে যারা ধারদেনা করে সময় পার করছেন তারা জাল-বুনার  সঙ্গে সঙ্গেআনন্দে বুনছেন-ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন। স্থানীয় তুলাতুলি মৎস্য আড়ৎ মালিক জামাল মিয়া ও ঝন্টু গোলদারের সঙ্গেকথা হলে তারা বলেন,জেলেদের জালে অধিক মাছ ধরা পড়লে আমাদের মৎস্য ঘাটগুলোও সরগরম হয়ে উঠবে। ইলিশা ঘাটের আড়ৎদার সাহাবুদ্দিন মাঝি বলেন,জেলেরা নদীতে নামবেন সেই প্রস্তুতি নিয়েছেন,তাদের জালে মাছ ধরা পড়লে আমাদের ঘাটগুলোতেও বেচা-কেনার ধুম পড়ে যাবে, সরগরম হয়ে উঠবে উপকুলের মাছঘাটগুলো আর স্বস্তি ফিরবে জেলেদের মধ্যে।

তবে এবারের অভিযান সফল হওয়ায় নদীতে ইলিশের আশানুরুপ উৎপাদন বাড়বে বলে মনে করছেন ভোলার মৎস্যবিভাগ।

এ ব্যাপারে ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব বাসস'কে বলেন,আজ রোববার রাত ১২ টার পর থেকে নদীতে মাছ শিকারে আর কোন বাঁধা নেই। অভিযান সফল হওয়ায় এবার ইলিশ আহরণের লক্ষ্যমাত্রা এক লাখ ৮৫ হাজার মেট্রিন টনের বেশী অর্জিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান মৎস্যদপ্তরের এ কর্মকর্তা।